Bengali Sad Love Story Raed Online- Alone in the Park

to sit alone in the park and sit alone. He came here very soon, he is here. Sweet smile on the face of the girlfriend, eating nuts lying on the lap If you see a beautiful girl, the words 'dak mama maiata ki sand ra' is agentle word from the face of friends 

Laughing Yes, Rohanak's 
words smile on the lips. For a long time, no one had seen such a smile from Rooney's mouth. Look at how or when he is laughing and who knows who has forgotten the joke.

For some time he came from Rehab. After coming back from Rehab, sitting in the house. He did not leave the house as soon as he did in Bijoy. This is what came out in the park today, leaving the first house out of Rehab. The mobile was blocked so far. Today he brought the mobile with the park. There is a strong desire to switch on the mobile. I want to give a call to siti. No !! She did not go on mobile and she could not breathe. Yes, this 
girl was lying on her chest, she used to eat nuts, hair aroma. 

To think of this, Roona's face became dirty. There was a lot of beautiful looks, and everyone became addicted to ronaka's addiction and all of them got drunk. Even the eternal face of Satyena Raunak's face. So now it seems that Siti can not recognize him. Otherwise, that love can 
be forgotten !!

No !! A cigarette was not eaten after coming from Rehab. Rohan thought and never eat cigarettes. But in the memory of Siti, how much the cigarette feels like the Cadetivite now For this class, Chawk is in the 
hands of roonak cigarette Roonak offered love, said Siti not directly. That's the sadness of the first tigress in the cigarette. Still 
burning cigarettes in the hands of Ronak to give pleasure 

Saty did not like to eat this cigarette. 
But behind the Cigarettes addicted to such addiction. Some time before going to Rihab, he saw that Rohenak siti. It seems to me that today's brother's words are being heard in two crores. His brothers used to talk about two things.
"A person who eats a cigarette can eat all things, and whoever speaks a lie, he can commit sins." Who's brother is a big brother near Rowak's friend In that sense, there was good news with Rooney. 

Looking back at the cigarette from the hands, some of the little children of Tokai boys used to eat and drink from the ground and eat again. Seeing this scene, Ronaq's mind remembered one of the times. He was very naughty, a little boy bursts his head 
with his head and does not come home. Rooney's grandfather went on the streets to find out for him and roam around the streets 
He is running after seeing grandfather His grandfather is running along. On the way a middle-aged man was going to eat cigarettes. If half a cigarette is eaten, then he cigarettes, then he coughs to pull the cigarette while running raccoon. Then how old is Roonak? Four to five

Haha ha !! Roonak laughed a little loudly. Looking around the park, looking at someone looking at it again. Once again, the world of thinking. Regular use of smoking cigarettes at the end of the school. On December 16th, at TSC, Gaza with friends. Then he said that this is the end of the first. But his friends said that he 
did not get drunk in the TSC or Rohan Gaza So he did not enjoy the real fun of Gaza. For this reason, Ronak once again wanted to test Gaza. Since then, regular Gaza began to be eaten. Then Roonaq's time was of modern modern type. So, when no action was done, Rauqaq and his friends celebrated by the action bottles, and thus 
did not understand the rationale from the process.

In this way, after taking the syringe, the drug started taking drugs. Since then, there has been a lot of trouble in the house. At one point, Rauq stopped chattering from the house, because no profit is boggling, which is so !! Right from the house he will be given in Rehab. However, it was too late. Siti has already released Roonak. Of course, Raonkar too had a desire to get back from Rihhab and start everything again. 

Today, sitting in Roanak Park, carries out dying of morbidity. But it does not know Rohan. Actually did not know from home. After returning from Rehab, Roong was taken to the doctor for medical checkup. Later, Rowan's parents learned that their only son had cancer. And maybe you can save two months. Raonak's mother 
hid face in the chest of Jalil every day so that some of the rubbish moaning
Could not know. Jalil's father is Raonak's father. Very difficult people But he also kept keenly with Rehana Begum (Raonak's mother). As rigorous as the mother's lap and father's backs grew bigger. 

Sita does not know about cancer. If you knew, maybe you would cry. Maybe he would run away to see Ronak. Is not it either mercifully or in love 
could never know again Or one day 
saw the news of death came roanak. It was a lot of 
crying. I forgot a few days later. Do not know what is !! 

Thanks! What are you doing here ?? 
If I had come back from the back of the 
sati, then I would have told you with the touch of that familiar touch and then I would tell you. 
Look, I'm fine. I've really been as good as before. We'll start everything again.

Nah Ra'anak's will never be fulfilled. Because of the cancer that now has the relation of Roonak. 

ব্রা এবং স্তনের কাপ সাইজের মাপ নির্ধারণ

ধাপ#১: ব্যাণ্ডের সাইজের মাপ নির্ধারণ

নিঃশ্বাস ত্যাগ করুন, ফুসফুস থেকে সমস্ত বাতাস বের করে দিন। এবার মেঝের সাথে সমান্তরাল করে বুকের চারদিকে ফিতা দিয়ে বক্ষোদেশের নিচে অর্থাৎ যেখানে ব্রা শেষ হয়ে গেছে, সেখানে মেপে নিন।
দশমিক সংখ্যা এলে তার কাছাকাছি পূর্ণ সংখ্যা ধরবেন। যেমন, ২৮.৫ ইঞ্চি বা এর কম হলে ২৮ ইঞ্চি ধরবেন। ২৮.৬ ইঞ্চি বা এর বেশি হলে ২৯ ধরবেন।
সংখ্যাটা জোড় হলে, তার সাথে ৪ যোগ করবেন।
সংখ্যাটা বিজোড় হলে, তার সাথে ৫ যোগ করবেন
সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে, হাত দুদিকে ছেড়ে দিয়ে, ব্রার উপরে যেখানে সর্বোচ্চ উঁচু, সেখানের মাপ নিন। খেয়াল রাখবেন যাতে মাপার সময় ফিটা মেঝের সমান্তরাল থাকে, কোথাও উঁচু-নিচু যেন না হয়।
দশমিক সংখ্যা এলে তার কাছাকাছি পূর্ণ সংখ্যা ধরবেন। যেমন, ৩৪.৫ ইঞ্চি বা এর কম হলে ৩৪ ইঞ্চি ধরবেন। ৩৪.৬ ইঞ্চি বা এর বেশি হলে ৩৫ ধরবেন।
ধাপ#৩: ব্রার সাইজের মাপ নির্ধারণ
কাপের সাইজের মাপ (ধাপ#২) থেকে ব্যাণ্ডের সাইজের মাপ (ধাপ#১) বিয়োগ দিন। এই সংখ্যাটা দিয়েই পেয়ে যাবে কাপের সাইজ। নিচের টেবিলে দেখে নিন।
স্টেপ#১: ব্যাণ্ডের সাইজের মাপ (২৮+৪=) ৩২
স্টেপ#২: কাপের সাইজের মাপ ৩৫
স্টেপ#৩: ৩৫-৩২=৩, অর্থাৎ “সি”
তাহলে, স্তন বা ব্রার সাইজ হবে “৩২সি”
পার্থক্য:কাপ সাইজ:
১/২”- ১”A
৫”DD or E
৬”DDD or F
A = ছোট
B = মাঝারি
C = বড়
D = বেশি বড়
E = অনেক বেশি বড়

স্তন এবং বুক সুগঠিত করার ব্যায়াম

১. কব্জি, হাত এবং বাহু স্ট্রেচিং
এগুলো শুধু হাতের গঠনই সুন্দর করে না, সারা দেহে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রাও বাড়িয়ে দেয়। এতে হাতের কবজি এবং বাহুও দৃঢ় হবে যা অন্যান্য ব্যায়ামগুলো করতে দরকারী। কব্জিতে শক্তি থাকলে অন্যান্য ব্যায়াম করতেো সুবিধা হবে এবং অযথা ব্যথার হাত থেকে রক্ষা পাবেন।
আঙুল বন্ধ:
এটা কোন যন্ত্রপাতি ছাড়াই করতে পারেন। হাত টান করে তালু মুখের বিপরীতে রেখে আঙুলগুলো উপরে তুলে দিন। এবার অন্য হাতের আঙুল এটার উপর দিয়ে ধীরে ধীরে পিছনের দিকে কিছুক্ষণ টানুন। এক হাত হয়ে গেলে আবার অন্য হাতের বেলায়ও এভাবে করুন। এক এক করে প্রতি হাতের জন্য কমপক্ষে তিনবার করে করুন।
কব্জির মোচড়:
এটা করতে ডামবেল বা বারবেল দরকার হবে। বেঞ্চ বা চেয়ারে ঝুঁকে বসুন। দুইহাত উরুর উপর টান করে দিন। এবার হাতে বারবেল (দুইহাতে) বা ডামবেল (একহাতে) নিয়ে কব্জিতে ধীরে ধীরে উপরের নিচে মোড়চ দিন। ১৫ বার করে ৩ সেট দিন।
হাতের তালু উপরের দিকে বা নিচের দিকে- দুভাবেই করতে পারেন।
হাতের মুঠির ব্যায়াম:
প্লাস্টিকের নরম ছোট এক ধরনের বল পাওয়া যায় যাকে স্ট্রেচ বল বলে। এছাড়া আরো অনেক টুলস আছে। বল হাতের মধ্যে নিয়ে ধীরে ধীরে চাপ দিয়ে ১০ সেকেণ্ড ধরে রাখুন। তারপর ধীরে ধীরে মুঠি খুলুন। এভাবে যতবার পারেন, করবেন।
স্ট্রেচ বল না পেলে টেনিস বল নিয়ে বা খালি হাতেও করতে পারেন।
উপরের ব্যায়ামগুলো যখনই সময় পান, যে অবস্থাতেই থাকেন না কেন- তখনই যতক্ষন ইচ্ছে করতে পারেন।
২. বাটারফ্লাই প্রেশ
এই ব্যায়াম ভালোভাবে করতে গেলে জিমে চেস্ট প্রেশ মেশিন লাগবে। নইলে হালকা ওজনের দুইটা ডামবেল।
মেশিনে সোজা হয়ে বসে দুইহাত দুইদিকের আর্ম রেস্টের উপর রাখতে হবে। নিঃশ্বাস নিন। এবার নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে দুইহাতে চাপ দিয়ে হাত দুটো বুকের সামনে এনে মিশিয়ে ফেলতে হবে। আবার নিঃশ্বাস নিতে নিতে হাত দুটো আগের অবস্থায় নিয়ে যাবেন। এভাবে ১০-১৫ বার করে ৩ সেট দিবেন। মেশিনে এমন ওজন সেট করবেন যাতে প্রথমে ১৫ বার দিতে কোন সমস্যা না হয়। পরের বার একটু একটু করে ওজন বাড়াবেন। প্রতি সেটের মাঝে ২ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।
৩. চেয়ার ডিপ/ বেঞ্চ ডিপ
এটাতে মেশিনের দরকার নাই। শুধু একটা চেয়ার বা বেঞ্চ হলেই হয়।
প্রথমে চেয়ার বা বেঞ্চের কিনারে বসবেন। দুই হাতের তালু দিয়ে বেঞ্চের কিনার চেপে ধরবেন। দুই হাতের দূরত্ব কাঁধের দুরত্বের সমান হবে। পা দুটো একটু সামনে টান করে দিন।
এবার হাতের উপর ভর দিয়ে শরীরের উপরি ভাগ নিচু করুন যাতে কনুই ৯০ ডিগ্রী পর্যন্ত বাঁকা হয়। হাতের উপর ভর দিয়ে শরীর আবার টান করে ফেলুন। এসময় কনুই সোজা হয়ে যাবে, তবে বিশ্রাম নিতে কনুই লক করে ফেলবেন না। এভাবে যতগুলো পারেন, করবেন। মোট ৩-৫ সেট দেবেন। সেটের মাঝে ২ মিনিট করে বিশ্রাম নেবেন।
প্রথমে হয়তো ৬-৮টার মতো পারবেন। ধীরে ধীরে ১৫টি করে দেয়ার চেষ্টা করবেন।

৪. পুশ-আপ/ বুকডন
হাতের উপর ভর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। হাত দুটো মাঝে দুরত্ব ৬ থেকে ২৪ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। আপনার যেভাবে সুবিধা হয় এবং এবং বুকের উপর যাতে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে ততটা দুরত্ব হাত বুকের কাছে রাখুন। পুরো শরীর টান থাকবে।
এবার হাতের উপর ভর দিয়ে নিঃশ্বাস নিতে নিতে ধীরে ধীরে শরীরের উপরি ভাগ উপরে তুলুন। এসময় হাতের কনুই সোজা হয়ে যাবে। শরীরের নিচের ভাগের ভর পায়ের আঙুলের উপর থাকবে।
নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে ধীরে ধীরে শরীর আবার নিচে মেঝের কাছাকাছি নামিয়ে ফেলুন। দেখবেন শরীর যেন মেঝেতেস্পর্শ না করে। এভাবে একবার ওঠানো এবং একবার নামানোতে একটু বুকডন গননা হবে। যতগুলো পারুন, দিন।
এভাবে ৩-৫ সেট দেয়ার চেষ্টা করুন। প্রতি সেটের মাঝে ২ মিনিট বিশ্রাম নেবেন।

৫. ইনভার্টেড পুশ-আপ
যাদের শরীরের উপরিভাগ ততটা শক্তিশালী নয় এবং বুকডন দিয়ে খুব কষ্ট হয়, তারা এটা দিয়ে শুরু করতে পারেন। এটা যখন সময় পাবেন তখনই করতে পারেন।
দেয়াল থেকে ২/৩ ফুট দূরে সরে দাঁড়ান। দেয়ালে দুইহাত ঠেকিয়ে ঝুঁকে পড়ুন। হাত কাঁধের সমান্তরাল থাকবে। ঝুঁকে পড়ার সময় পায়ের গোড়ালি একটু উপরে উঠে গেলেও সমস্যা নাই।
বাকিটা বুকডনের মত করে করতে থাকুন।

৬. বেঞ্চ প্রেস
এটাতে ডামবেল বা বারবেল লাগবে।
বেঞ্চের উপর টান হয়ে শুয়ে পড়ুন। পা মেঝেতে বা বেঞ্চের উপর রাখতে পারেন। হাতে ডামবেল নিয়ে বুকের উপর তুলে ধরুন।
নিঃশ্বাস নিতে নিতে ধীরে ধীরে ডামবেল বুকের কাছাকাছি নামিয়ে আনুন। আবার নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে ওজন উপরে তুলে ধরুন। কনুই পুরো টান করবেন না, হালকা বাঁকিয়ে রাখবেন। নিতম্ব যেন শুণ্যে উঠে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন, তবে পিঠের মাঝে হালকা বাঁকা হলে সমস্যা নাই।
এভাবে ৮-১০টি করে ৩-৫ সেট দিন। প্রতি সেটের মাঝে ২ মিনিট বিশ্রাম নিন।
খেয়াল রাখবেন, ওজন যেন আপনার শরীরের উপর না পড়ে যায়। ওজন বেশি নিলে মাথার কাছে একজনকে দাঁড়িয়ে সাহায্য করতে বলতে পারেন।
শুরুতে হালকা ওজন দিয়ে করবেন।

ত্বক ফর্সা করা কি সম্ভব

আজকাল নানা চটকদার বিজ্ঞাপন, প্রচারনা দেখে বেশীরভাগ নারী-পুরুষ, তরুণী-ছাত্রীরা নানা ভাবে বিভ্রান- হচ্ছেন। অনেকে প্রশ্ন করেন ডাক্তার সাহেব ত্বক কি ফর্সা করা যায়। তাদের যুক্তি হচ্ছে টেলিভিশনে একাধিক লেজার সেন্টার ও এসথেটিক সেন্টার থেকে বলা হয় ত্বক ফর্সা করার যাদু আছে তাদের কাছে। আসলে এ ব্যাপারে আমার কাছে কোন সদুত্তর একেবারেই নেই। সমপ্রতি আমি এবং আমার বস দেশের স্বনামধন্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম ইউ কবীর চৌধুরী গিয়েছিলাম বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডার্মাটোলজি কনফারেন্স ‘আমেরিকান একাডেমী অব ডার্মাটোলজি মিটিং-এ’। পাঁচ দিনব্যাপী এই বিশাল কনফারেন্সে সারা বিশ্ব হতে ৫০ সহস্রাধিক বিশেষজ্ঞ ও অন্যান্য পেশার লোকজন অংশ নেন। এই কংগ্রেসে বিশ্বের বড় বড় লেজার কোম্পানীগুলোও অংশ নেয়। ব্যক্তিগতভাবে আমার খুব ইচ্ছা ছিলো লেজার বা অন্যকোন টেকনোলজির মাধ্যমে ত্বক ফর্সা করা যায় কিনা তার খোজ নেয়া। সত্যিকথা বলতে ডার্মাটোলজিস্টদের সবচেয়ে বড় এই সম্মেলনে কোথাও একটি পেপারও পড়া হয়নি ত্বক ফর্সা করা নিয়ে। অধ্যাপক এম ইউ কবীর চৌধুরী স্যার এবং আমি যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামীর সবচেয়ে বড় লেজার এন্ড কসমেটিক সেন্টারটিও ভিজিট করি। কোথাও ত্বক ফর্সা করার ব্যবস্থা নেই। তাহলে আমরা কতিপয় মুনাফালোভী চিকিৎসক লেজারের নামে কি দেশের সরল প্রাণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা। করছি। কে দেখবে এই প্রতারণার বিষয়টি। এর আগে গত বছর আমি এবং অধ্যাপক এম ইউ কবীর চৌধুরী বার্লিনে গিয়েছিলাম ইউরোপিয়ান একাডেমী অব ডার্মাটোলজি কংগ্রেসে। সেখানেও ত্বক ফর্সা করার কোন টেকনোলজি দেখলামনা। বার্লিন যাবার পথে ইটালির পর্যটন শহর বার্গামোতে একটি লেজার সেন্টার পরিদর্শন করি আমরা। সেখানেও ত্বক ফর্সা করার কোন ব্যবস্থা নেই। এ ছাড়া গত বছর আমি এবং অধ্যাপক কবীর চৌধুরী অংশ নেই দুবাই ডার্মাতে। আমরা দু’জনে একাধিকবার অংশ নিয়েছি সিঙ্গাপুর ডার্মাটোলজি আপডেট-এ। আমি নিজে ডার্মাটোলজিতে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করার সময় সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় স্কিন এন্ড কসমেটিক সেন্টারে ছিলাম প্রায় এক বছর। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই লেজার এন্ড কসমেটিক ডার্মাটোলজিতে ফেলোশীপ করতে। কোথাও ত্বক ফর্সা করার ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। অনেক কৌতুহল থাকা সত্বেও ত্বক ফর্সা করার এ অপবিদ্যাটি রপ্ত করতে পারিনি। যাহোক এ দেশে অন্যরা কিভাবে ত্বক ফর্সা করে তার তথ্য আমার কাছে নেই। তবে যারা ত্বক ফর্সার নামে অপচিকিৎসা বা ভূল চিকিৎসায় মুখের ত্বক ক্ষতিগ্রস- করেন তাদের অনেকে আমার কাছে আসেন।
যাহোক, আমাদের জানতে হবে মানুষের ত্বক কালো বা ফর্সা হয় কেন। আমাদের ত্বকে মেলানিন নামে এক ধরনের পদার্থ রয়েছে। এই মেলানিনই আমাদের ত্বকের রং নির্ধারণ করে। যাদের শরীরে মেলানিন যতবেশী তাদের ত্বক তত কালো। আর শরীরের এই মেলানিন কমানোর কোন চিকিৎসা বা ওষুধ এখনো পর্যন- তৈরী হয়নি। অন-ত: সাইন্টিফিক্যালি কেহ দাবী করেননি তারা ত্বক ফর্সা করার ওষুধ আবিষ্কার করেছেন। তাহলে প্রশ্ন আসে বাজারে অনেক ধরণের ক্রিম বা লোশন পাওয়া যায়। এসবের মাধ্যমে ত্বক কিভাবে ফর্সা হয়। এসব নিয়ে আমরা আগামীতে ধারাবাহিকভাবে লিখবো। আজ শুধু লেজার সেন্টার ও এসথেটিক সেন্টার সমূহের ত্বক ফর্সা করার বিষয় নিয়ে লিখছি। আজকাল অনেক বিউটি পারলার থেকে দাবী করা হয় তারা ত্বক ফর্সা করে থাকেন। আমি আগেই বলেছি আমরা যাকিছু বলবো বা করবো তার সাইন্টিফিক ব্যাখ্যাসহ রোগীদের বা সৌন্দর্য প্রিয়দের বোঝাতে হবে। ব্যবহৃত টেকনোলজি এবং কেমিক্যাল উপাদান কিভাবে কাজ করে তারও ব্যাখ্যা থাকতে হবে। তবে যদি কেউ বলেন, ত্বক উজ্জল করা যায়, মুখের কমপ্লেক্সশন ভালো করা যায়, এ বিষয় নিয়ে আমি আপত্তি করিনা। ত্বক উজ্জল তিন ভাবে করা যায়। যেমন: লেজার ব্রাইটেনিং, কেমিক্যাল ব্রাইটেনিং এবং কসমেটিক ব্রাইটেনিং। তবে এ ক্ষেত্রে সৌন্দর্য পিয়াসীদের অবশ্যই বলতে হবে এ ধরনের ব্রাইটেনিং অত্যন- সাময়িক। স্থায়ী কোন ব্রাইটেনিং পদ্ধতি নেই। যারা সাময়িক ভাবে ত্বক ব্রাইট বা উজ্জ্বল করতে চান তাদের ক্ষেত্রে বলবো অবশ্যই জেনে নেবেন কি দিয়ে ব্রাইটেনিং করা হচ্ছে। কতদিন সময় লাগবে এবং কত টাকা খরচ পড়বে এবং সর্বোপরি কতদিন ত্বকের এই উজ্জ্বলতা থাকবে, এসব না জেনে কোথাও প্রতারণার ফাঁদে পা দেবেন না। রোগী হিসাবে ডাক্তারের কাছে যে কোন প্রশ্ন করার এখতিয়ার আপনার আছে। ডাক্তার আপনার সব কথা শুনতে বাধ্য। এছাড়া রোগী হিসাবে আর একটি প্রশ্ন অবশ্যই করবেন ডাক্তার সাহেব নিজে চিকিৎসা বা লেজার ব্যবহার করবেন না তার অ্যাসিসট্যান্টকে দিয়ে কাজটি করাবেন। এসব মৌলিক প্রশ্ন জানার অধিকার রোগীর অবশ্যই রয়েছে।
ডাঃ মোড়ল নজরুল ইসলাম
চর্ম, এলার্জি ও শারীরিক মিলন সমস্যা বিশেষজ্ঞএবং লেজার এন্ড কসমেটিক সার্জন।
সহকারী অধ্যাপক, গণস্বাস্থ্য নগর
হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, এপ্রিল ১০, ২০১০

শরীরে পানি জমার কারণ

মুখ ফোলা। পা ফোলা। আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ত্বক দেবে যায়। সাধারণ ধারণা হলো, শরীরে পানি জমা মানেই কিডনি খারাপ। কিন্তু আসলে নানা কারণেই শরীরে পানি জমতে পারে। যাঁদের হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুসে সমস্যা আছে, তাঁদেরও এমন হতে পারে।
ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদি রোগ; যেমন: ক্রনিক ব্রংকাইটিস, ব্রংকিয়েকটেসিস, যক্ষ্মার নানা জটিলতা থেকে হৃদ্‌যন্ত্র আক্রান্ত হলে এই পরিস্থিতিকে বলে কোর পালমোনালি। এতে শ্বাসকষ্ট-জাতীয় সমস্যার সঙ্গে মুখ ও পা, কখনো সারা শরীর ফুলে যায়। এমনিতে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা কমে গেলেও (কার্ডিয়াক ফেইলিওর) শরীরে পানি আসতে পারে। সাধারণত অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌যন্ত্রের ভাল্‌বের ত্রুটি, ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ জটিল হয়ে পড়লে এ সমস্যা দেখা দেয়। এসব রোগীর বুক ধড়ফড়, বুকে ব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ থাকতে পারে। এ ধরনের রোগে শরীরে পানি জমার কারণ খুঁজতে বুকের এক্স-রে, ইসিজি বা ইকোকার্ডিয়ামের প্রয়োজন।
ফুসফুস বা হার্টের সমস্যা ছাড়াও যকৃতের অকার্যকারিতায় অন্ত্রের যক্ষ্মা, পেটের ভেতর কোনো টিউমার বা ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লেও শরীরে পানি আসে। কিডনির সমস্যা, থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, রক্তে আমিষের অভাব ইত্যাদি রোগেও পানি জমা বিচিত্র নয়। অনেক সময় কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়ও শরীরে পানি জমতে পারে।
শরীরে পানি জমলে তাই কারণ অনুসন্ধান করার মধ্য দিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে।
*   একেবারে শুরুতে কোথায় পানি জমেছিল তা মনে করার চেষ্টা করুন ও চিকিৎসককে জানান। কিডনির সমস্যায় প্রথমে মুখ ফোলে, আবার যকৃতের সমস্যায় প্রথম পানি জমে পেটে। হার্টের রোগীদের প্রথম দিকে কেবল পা দুটো ফুলে যায়।
* প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, প্রস্রাবের রং পরিবর্তন হলে কিডনি রোগ কি না ভাবতে হবে। আবার শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় হার্ট বা ফুসফুসের সমস্যাকে নির্দেশনা করে। জ্বর, খাদ্যে অরুচি, বমি ভাব, বমি বা মলের সঙ্গে রক্তপাত ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দিলে যকৃৎ বা অন্ত্রের কোনো জটিল রোগ হয়েছে কি না খুঁজতে হবে।
* পানি জমার আগে কী কী ওষুধ খেয়েছিলেন (ব্যথানাশক, অ্যামলোডিপিন-জাতীয় রক্তচাপের ওষুধ, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ইত্যাদি) তা মনে করে দেখুন।
* অনেকে শরীরে পানি জমলে ওষুধের দোকান থেকে ল্যাসিক্স-জাতীয় পানি কমার ওষুধ কিনে খান। এতে পানি চলে যায় বটে, কিন্তু কারণ জানা হয় না। ফলে পরে রোগ জটিল হয়ে ওঠে। আর না জেনে এ ধরনের ওষুধ খাবার নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও আছে।
ডা. মো. আজিজুর রহমান
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ
সূত্র – প্রথম আলো

সেনসিটিভ ত্বকের যত্ন

কে কোন ধরনের বা কোন ব্র্যাণ্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন–এমন একটা প্রশ্ন অনেকেই করেন। কিন্তু সেটা এক কথায় বলে দেয়া যায় না। কারণ আমাদের প্রত্যেকের ত্বকের ধরন ভিন্ন। আমরা বিভিন্নজনকে বলি বিভিন্ন প্রডাক্ট ব্যবহার করে দেখতে, এবং শেষে যেটা তার শরীরের পক্ষে মানানসই লাগে সেটা ব্যবহার করতে। যারা এত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যেতে চান না, তারা এবং যাদের ত্বক সংবেদনশীল বা সেনসিটিভ (আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষের ত্বকই এমন), তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সরাসরি সেনসিটিভ টাইপের প্রসাধনী ব্যবহার করা।
এমনিতে চুল বা ত্বক ভালো রাখতে সবচেয়ে বেশি জরুরী হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, জামাকাপড়-অন্তর্বাস থেকে শুরু করে বিছানাপত্র–সব কিছু সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করতে হবে। এতে চুলকানি, খুশকি, চুলপড়া ইত্যাদি সমস্যাগুলো থেকে দূরে থাকা যায়।
সেই সাথে বাজারের হরেক রকমের প্রসাধনী থেকে দূরে থাকতে পারলেও ভালো। এসব যত কম ব্যবহার করা যায়, ততই ভালো। কারণ যেসব রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে এসব বানানো হয় তার বেশিরভাগই আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। আর এগুলোর অন্যতম প্রধান উপাদান হলো অ্যালকোহল। এসব রাসায়নিক উপাদান আমাদের শরীরের সংস্পর্শে এসে ক্যান্সার থেকে শুরু করে নানান ধরনের রোগের সৃষ্টি করে।
তবুও দৈনন্দিন জীবনে এসবের ব্যবহার একেবারে না করে থাকা যায় না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে যেটুকু দরকার, তার বাইরে এসব ব্যবহার যত কম করা যায়, তত ভালো। আর যেহেতু অল্প অল্প ব্যবহার করবেন, তাই ভালো ব্র্যাণ্ডের জিনিস একটু বেশি দাম হলেও সেগুলো কেনা ভালো। আর নামকরা ব্র্যান্ডের কোম্পানিগুলোর প্রায় সবাই সব ধরনের প্রসাধনীর একটা সেনসিটিভ ভার্সন থাকে। এই প্রডাক্টগুলোতে অ্যালকোহল না থাকাতে যেমন কম ক্ষতিকর, সেই সাথে দামও তুলনামূলক ভাবে কম।
রেগুলার প্রসাধনী ব্যবহারে চুল ওঠা, চুলকানি বা ত্বকের নানান সমস্যা হয়ে থাকলে সেগুলো বাদ দিয়ে এই সেনসিটিভ প্রসাধনীগুলো ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
স্বামী ঘরে ঢুকতেই স্ত্রী রেগে চেঁচিয়ে উঠলেনঃ- কোথায় ছিলে আজ সারা দিন I
অফিসে খবর নিয়েছি, সেখানেও যাও নি তুমি I
ব্যাপারটা কি শুনি ?
স্বামী তোতলাতে তোতলাতে বলছেনঃ- মানে …
স্বামীর মুখের কথা কেড়ে নিয়ে স্ত্রী আবার চেঁচিয়ে উঠলেনঃ- কোথায় গিয়েছিলে, বলছো না কেন ?
আর এই নোংরা বাস্ক আর কাপড়ের পোটলা কোথা থেকে উঠিয়ে নিয়ে এসেছ ?
স্বামী কোন মতে সাহস সঞ্চয় করে বললেনঃ- আমি মাকে আনতে গ্রামের বাড়িতে চলে গিয়েছিলাম I
আগুনে যেন পেট্রোল পড়ল I
স্ত্রী ঝাঁজিয়ে উঠে বললেনঃ- কি ই ই ই ই ই ই ?
কি বললে ?
তোমার মাকে এখানে নিয়ে এসেছ ?
তোমার লজ্জা নেই ?
তোমার ভাইয়ের কাছে ওনার কি অসুবিধা হচ্ছিল ?
স্ত্রী রাগে এমন আচ্ছন্ন ছিলেন
যে পাশেই সাদা শাড়িতে মুখ ঢেকে
এক বৃদ্ধা যে চোখের জল রোধ করার চেষ্টা করছেন,
সেটা খেয়ালই করছেন না !
স্বামী বলছেনঃ- ওনাকে আমার ভাইয়ের কাছে রাখা যাবে না I
স্ত্রীর চোখে আগুন জ্বলে উঠলঃ- কেন ?
এখানে কুবেরের ভান্ডার আছে নাকি ?
তোমার সাত হাজার টাকা মাইনে দিয়ে বাচ্চার পড়াশুনার খরচ বয়ে
পুরোটা সংসার আমি কিভাবে চালাচ্ছি,
সেটা একমাত্র আমিই জানি !
স্ত্রীর কণ্ঠে এতটাই ঝাঁজ ছিল !
স্বামী গলার স্বর দৃঢ় করে বললেনঃ- আজ থেকে উনি আমাদের কাছেই থাকবেন I
স্ত্রী গলার সুর সপ্তমে নিয়ে বলছেনঃ- আমি বলছি ওনাকে এই মুহূর্তে তোমার ভাইয়ের ওখানে রেখে এসো!
নইলে আমি এই ঘরে এক মুহূর্ত থাকব না I
আর এই মহারানীরও কি এখানে আসতে একটুও লজ্জা করল না ?
এ কথা বলে স্ত্রী যেই সেই অসহায় বৃদ্ধার দিকে তাকালেন,
তার পায়ের নীচ থেকে মাটি সরে গেল !!…
গলার সুর নরম করে আবেগতাড়িত হয়ে বললেনঃ- মা, তুমি ?
বৃদ্ধা কাঁদো কাঁদো হয়ে বললেন– হ্যাঁ রে, তোর ভাই আর ভাইয়ের বউ আমাকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে I
কোথায় যাব!
তারপর আমি জামাইকে ফোন করলে সেই আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে !
বৃদ্ধার কথা শুনে স্ত্রী এক কৃতজ্ঞ দৃষ্টি নিয়ে
স্বামীর দিকে তাকালেন আর হেসে বললেনঃ- তুমিও খুব নাটকবাজ,
প্রথমেই আমাকে বলে দিলে না কেন
যে তুমি আমার মাকে আনতে যাচ্ছ ?
মা তো মা হন, তোমার মা আর আমার মা আবার কি !

         ভালো থেকো ভালবাসা

আমি এক নষ্ট ছেলে, তুষ্ট মানুষ ;
অল্পতেই তুষ্ট হইয়ে তোর ছলনাতে ধোঁকা খেয়েছি ;
অবিরত তোর ভবিষ্যৎ কে কাব্যে গদ্যময় করতে আমি নির্ঘুম থেকেছি রাতের পর রাত ;
তবুও বুঝতে পারিনি তোর প্রেমের মধ্যে রহস্যের জাল ছিলো ;
যেটা দিয়ে আমাকে মেঘনা নদীর মতো ছিনিয়ে নিয়েছিলে ভিটা মাটি থেকে ;
আমি তবুও রাগিনী, সামান্য কষ্ট পাও চাইইনি ;
তবুও পেয়েছো আমাকে দিয়েছো ;
আর কতো, কষ্ট দিবে ;
আমার বুকের ডান পাশে প্রচুর ব্যাথা এখন ;
অজানা সব রোগ বাঁধা বেধেছে আমার শরীরে ;
তবুও তোমাকে ভালবাসি ;
শেষ রক্ত বিন্দু অবধি ভালবেসে যাবো ;
ভালো থেকো ভালবাসা।

ছোট্ট একটা ঘর আমার

ছোট্ট একটা ঘর আমার

ছোট্ট একটা মন।
সেই ঘরেতে বাস করে
আমার প্রিয় জন..
ছোট্ট দুটি আখি তার
ছোট ছোট পা
তাই দেখে উরে গেল
আমার পরান টা…
– অবসর সময়ে দু
একটা কবিতা লেখে পথ..চাকরি করার পর
সময় মেলেই না..একটা প্রাইভেট
কম্পানীতে ছোট খাট একটা জব করে..সকাল
৭.৩০ সময় বাসা থেকে বের হয় পথ..বাস
স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে থাকে বাসের জন্য..এই
সময়টা অনেক ব্যস্ত থাকে নগরী..সবাই যার
যার কাজের গন্তব্যে যাওয়ার জন্য
ব্যস্ত..অনেক কষ্ট করে বাসে উঠতে হয়..তাও
আবার দাড়িয়ে থাকতে হয় অনেক সময়.
– প্রায় প্রতিদিন এমনই
হয়..স্ট্যান্ডে অনেকেই
দাড়িয়ে থাকে..কিন্তু পথের নজর
কারে একটা মেয়ে..প্রতিদিন বাসের জন্য
অপেক্ষা করে..মনে হয় স্টুডেন্ট
হবে..হাতে বই থাকে সব সময়..
– পথ প্রতিদিন লক্ষ
করে মেয়েটাকে..কিন্ত ু সময়ের
অভাবে কথা বলা হয় না..
– মেয়েটা লক্ষ করে কিনা কে জানে.?
– প্রতিদিনের মত অফিস থেকে ফিরে রেস্ট
নিচ্ছে পথ..আর মনে মনে ভাবছে মেয়েটার
– রেহানা বেগম পথের রুমে আসলেন..পথের
মা ইনি..বাবা পথ অনেক ত বয়স হল এবার
একটা বউ নিয়ে আয় ঘরে..দেখ আমার
অবস্থাও ভাল না..কত দিন আর
বাঁচব..যাওয়ার আগে তোর সুখের
সংসারটা দেখে যেতে চাই..
– মা তুমি এভাবে বলছ
কেন..তুমি যদি এভাবে বল
তাহলে আমি কি সইতে পারি.?
– তাহলে এবার বিয়ের জন্য মত
দে..আমি একটা মেয়ে দেখেছি তোর জন্য..তুই
হ্যাঁ বললেই পাকা কথা বলব..
– মা আমাকে আর ১০ দিন সময়
দেও..আমি একটু ভেবে দেখি..
– আচ্ছা ভেবে দেখ..তবে ১০ দিনের
বেশি সময় দিতে পারব না..
– তাতেই হবে..
– ফ্রেস হয়ে টেবিলে আয়..আমি খাবার
– রাতের খাবার খেয়ে পথ বিছানায়
শুয়ে ভাবছে মেয়েটার কথা..কাল ত শুক্রু
বার,ছুটির দিন.মেয়েটার
সাথে দেখা হবে না..মনটা খারাপ
হয়ে গেল পথের..
– পরের দিন সকাল ১০টায় ঘুম ভাঙল
পথের..বিছানা থেকে উঠে নাস্তা করল..তারপর
বসল টিভি দেখতে..সপ্তাহে দুই দিন একটু
টিভি দেখার সময় হয়..
– পথ জুম্মার নামাজ পরে বাসায়
এসে খাওয়া দাওয়া সেরে রেস্ট
নিচ্ছে..চিন্তা করছে বিকেলের
সময়টা কি করবে..?হটাত মনে পরল অনেক
দিন পার্কে গিয়ে সূর্য ডোবা দেখা হয় না..
– পথ পার্কে বসে আছে এক
কর্নারে..আশে পাশে অনেক মানুষ
ঘুরতে এসেছে..সবাই অনেক হাসি খুশি..পথ
দেখল একটা মেয়ে তার
দিকে আসছে..অনেকটা পরিচিত
লাগছে..খানিকটা কাছে আসতেই পথ
চিনে ফেলল মেয়েটাকে..এ যে সেই বাস
স্ট্যান্ডের মেয়েটা..
– পথ অনেক খুশি..যাক আজকেও
দেখা হয়ে গেল..আজ
কি বলে দেবে মেয়েটাকে যে,তাকে অনেক
পছন্দ আমার..
– মেয়েটা পথের
সামনে এসে দাড়াল..আচ্ছা আপনি কি আমাকে ফলো করছেন.?
– পথ কেমন জানি ফিল করছে..বুকের ভিতর
ধুক ধুক করছে..
– কি হল উত্তর দিচ্ছেন না যে..
– কই না ত..আমি ত আপনার ফেবু
আইডি জানি না আর ফলো কিভাবে করব..
– আমি ফেবুর কথা বলছি না..আমি যেখানেই
যাই সেখানেই আপনি থাকেন..ব্যাপার কি..?
– পথ
কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না..তা দাড়িয়েই
কথা বলবেন না কি বসবেন..?
বসে কথা বলতে সমস্যা নাই ত আপনার..?
– মেয়েটা বসল..তারপর জিজ্ঞেস করল
আপনি কি করেন.?
– পথ উত্তর না দিয়ে বলল,আপনার
নামটা কি জানতে পারি..?
– নাম দিয়ে কি করবেন.?আগে আমার
প্রশ্নের জবাব দিন..

আসলে আমি আপনাকে ফলো করি না..কাকতালিয়
ভাবে আমাদের দেখা হয়ে যায়..হয়ত উপর
থেকেই সব করা হচ্ছে..আর
আমি একটা প্রাইভেট কম্পানিতে জব
করি..আর আমার নাম পথ.
– হুম..সবই বুঝলাম..তবে আপনার নামটা যেন
কেমন অদ্ভুত..পথ,শুনল েই কেমন
যানি একটা ফিল হয়..যাই হোক না বলতেই
সব বলে দিয়েছেন..আমার নাম
পরী..পরাশুনা করি ৩য় বর্ষ এবার..
– দু জনের
কথা বলতে বলতে সন্ধ্যা হয়ে এসেছে..সূর্য
অস্ত যাচ্ছে..পথ সূর্য অস্ত
যাওয়া দেখছে..সূর্যের লাল রঙ পরীর
মুখে এসে পরেছে..দেখতে এখন পরীর মতই
– আচ্ছা আজ
তাহলে উঠি..সন্ধ্যা হয়ে এসেছে..
– আচ্ছা নাম্বারটা কি পেতে পারি..?
– পরী মুচকি একটা হাসি দিয়ে বলল
০১৯২৭ বাকি ডিজিট গুলো অন্য এক দিন
দেব..যে দিন আবার কাকতালিয়
ভাবে দেখা হবে আমাদের..
– পথ একটু অবাক
হয়ে চেয়ে রইল…পরী চলে গেল..
– ৭ দিন হয়ে গেল,পরীকে আর
দেখা যাচ্ছে না বাস স্ট্যান্ডে..পথ
পাগলের মত
হয়ে খুজে যাচ্ছে এখানে সেখানে..সারা শহরের
সব কয়টা রেস্টুরেন্ট,পার
্ক,শপিং মল..কোথাও
দেখা মেলে না পরীর..অফিসের কাজেও মন
বসে না..অফিস থেকে ৩ দিনের ছুটি নেয়
– – বাসায়
ফিরে ভাবছে কি করবে এবার..কোথায় পাব
পরীকে..পরীর দেওয়া অর্ধেক নাম্বারটার
কথা মনে পরল…বাকি ডিজিটগুলা বসিয়ে অনেক
ট্রাই করল কিন্তু কোন নাম্বারই পরীর না..
– আজ ৮ম দিন…মার জানি কি হয়েছে..অনেক
অসুস্থ হয়ে পরেছে..হাসপাতাল
ে ভর্তি করেছে পথ..চিন্তায় কুল
কিনারা পাচ্ছে না..
– পথের একটা বন্ধু আছে..খুব কাছের বন্ধু..এই
শহরেই থাকে..একটা প্রাইভেট
কম্পানিতে জব করে..ছোট বেলা থেকেই এক
সাথে বড় হয়েছে দুই জন..পার্থ নাম..
– পথ ফোন করে সব কিছু জানায় পার্থকে..
– পার্থ সব শুনে চলে আসে হাসপাতালে..দুই
জনে মিলে অনেক
চিন্তা ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয় মা সুস্থ
হলেই মাকে বিয়ের জন্য
হ্যাঁ বলে দেবে পথ..কিন্তু পথ
একা বিয়ে করবে না সাথে পার্থও..দুই বন্ধু
একসাথে বিয়ে করবে..
– পথ ডাক্তারের কাছে গেল..কত দিন
লাগবে সুস্থ হতে..?
– ডাক্তার বললেন প্রায় ১০-১৫ দিন ত
লাগবেই..তবে কাল বাসায়
নিয়ে যেতে পারবেন এবং পূর্ন
রেস্টে রাখবেন..
– পথ সস্থির নিশ্বাস ফেলল.
– মাকে বাসায় নিয়ে গেল পথ..
– পথ আর পার্থ
বসে আছে পার্কে..কি করবে এখন..পরীর কোন
দেখা নাই..মনের কথা ত বলতে পারলই
না অন্য
দিকে মাকে কথা দিতে হবে..চিন্তা করছে পথ..
– অন্য দিকে পার্থ চিন্তায় আছে তার
বিয়ের প্রস্তাব কি মেনে নেবে নিলুর
– নিলু হল পার্থের অর্ধাংশ..৫ বছরের
প্রেম তাদের..অনেক মধুর সম্পর্ক দু
জনের..নিলুর পরাশুনা শেষ হতে এখনো ২
বছর বাকি..সেই কলেজ লাইফ থেকে পরিচয়
দু জনের..প্রথম দিনেই ঝগরা..তারপর
আস্তে আস্তে প্রেম.
– নিলুর আজ আসার কথা পার্কে..সমস্যার
একটা সমাধান করার জন্য..
– পার্থ বসে বসে ঘাস চাবাচ্ছে আর
ভাবছে আর পথ আকাশ দেখছে..হটাত
সামনে এসে দাড়াল নিলু..
– এই ছাগল ঘাস চাবাচ্ছ কেন.?
– তুমি এসেছ এতক্ষনে..ঘাস চাবাব না ত
কি করব..আমি ত তাও কিছু করছি আর ঐ দেখ
আরেক জন চিন্তায় আকাশের
সীমানা মাপছে..
– নিলু পথকে সালাম দিয়ে বলল ভাল আছেন
– নাহ..ভাল আর কি করে থাকি..চিন্তায়
জীবন শেষ..
– নিলু দুই জনের সব কথা শুনল..তারপর
পার্থকে বলল আজই বাসায় প্রস্তাব
পাঠাতে..বাকি কাজ নিলু সামলে নিবে..আর
পথকে বলল ভাইয়া কি আর করবেন
যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে না তাকে ভুলে যান..মায়ের
পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করেন..
– হুম নিলু..আমিও তাই ভাবছি..পরী বসন্ত
বাতাসের মত এসে কাল বৈশাখি ঝরের মত
চলে গেল..যাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছে যাবে না তাকে মনে রেখে লাভ
কি..আজই মাকে হ্যাঁ বলে দেব..আর পার্থ তুই
আজই কিন্তু প্রস্তাব পাঠাবি.
– পথ বাসায় এসে বসে বসে ভাবছে..তারপর
এক পর্যায়ে মার কাছে যায়.
– কি রে বাবু কিছু বলবি..?
– হ্যাঁ..মা আমি তোমার পছন্দের
মেয়েকে বিয়েতে রাজি..
– যাক
অবশেষে সুবুদ্ধি হল..তা মেয়ে দেখবি না.?
– নাহ..তুমি দেখেছ তাতেই
হবে..তুমি মেয়ে পক্ষের
সাথে কথা বল..বিয়ের দিন ঠিক
করে জানাও..পার্থকে জানাতে হবে..
– পথ মায়ের রুম
থেকে বেরিয়ে সোজা পার্থের বাসায়
চলে এল..
– কিরে পথ বলে দিলি তাহলে..আমিও
পাঠিয়েছি..ওরা রাজি হয়েছে..নিলু সব
মেনেজ করে নিয়েছে..এখন তোর বিয়ের দিন
ঠিক হলেই হল..
– পার্থ আমার না পরীর জন্য কেমন
করছে মনটা..মনে হচ্ছে কি যেন
হারিয়ে ফেলছি..
– আরে মন খারাপ করিস না পথ.যা হবার
ছিল তাই হচ্ছে..চল শপিং এ যাই মন ভাল
হয়ে যাবে..
– চল তাই করি..মনটা ভাল
করা দরকার..তা ছারা বিয়ে ত ঠিক হয়েই
গেছে..মাকে একটা ফোন করে চল
বেরিয়ে পরি..
– দুই বন্ধু মিলে গেল শপিং করতে..খুব আনন্দ
করছে দুই জন..অনেক শপিং করল
বিয়ের..হটাৎ পিছন থেকে পরীর গলার
– আরে পথ ভাই না..কেমন আছেন..?ওয়াও এত্ত
শপিং করছেন..ব্যাপার কি..?
– ভাল আছি না মন্দ
আছি তা জেনে তুমি কি করবে..কত
খুজেছি তোমাকে..কোথায়
হারিয়ে গিয়েছিলে..?অবশ্ য এখন এ সব
বলে আর কি লাভ..
– কেন.?লাভ নেই কেন.?আর আমি অসুস্থ
ছিলাম অনেক..
– ও..থাক ভালই আছ মনে হয়..ক দিন
পরে আমার বিয়ে..তাই আর পুরান
কথা তুললাম না..ভাল থেক..
– ওয়াও..congratul ation
অগ্রিম..আমাকে ইনভাইট করবেন না..?
– কি করে করব..তোমার ত শুধু অর্ধেক
নাম্বার জানি আর বাসার ঠিকানাও
জানি না..
– তাও ঠিক..তাহলে আপনার নাম্বার দিন
আমি বিয়ের দিন চলে আসব ফোন করে..আর
বাকি ৩টা ডিজিত নিন
৬৩৪..বাকি তিনটা বিয়ের দিন
গিফটে লিখে দেব..
– পথ অবাক..মেয়ে বলে কি..যাই হোক মনের
মানুষ ত..পথ নিজের নাম্বারটা দিয়ে দিল..
– আজ পার্থ আর পথের বিয়ে..দুই বন্ধু এক
সাথে বরের সাজে সেজেছে..পার্থ অনেক
খুশি কিন্তু পথের মনটা আজও খারাপ..কেন
যে সে দিন পরীর সাথে দেখা হয়েছিল..
– সবাই এসে গেছে বিয়েও শেষ..পথের
বিয়ে হল মেঘ নামের এক
অজানা অদেখা মেয়ের সাথে..আর পার্থর হল
নিলুর সাথে..
– সবাই চলে যাচ্ছে..অনুষ্ঠা ন শেষ..পথ
এখনো অপেক্ষা করছে পরীর জন্য..শেষ
দেখাটা অন্তত দেখার জন্য..কিন্তু
পরী যে আসে না..
– বাসর রাত আজ পথের..অদেখা আর
অচেনা এক মেয়ের
সাথে যাকে সে এখনো দেখেনি..
– রুমে ঢুকতেই মেঘ একটা গিফট এগিয়ে দিল
পথকে..বড় ঘোমটা থাকার
কারনে চেহারাটা দেখতে পেল না পথ..
– গিফটা নিয়ে খুলতেই..
– সেখানে লেখা বাকি তিনটা ডিজিট
দিলাম মন চাইলে কল কর নইলে বিছানায়
– পথ অবাক হয়ে চেয়ে আছে লেখাটার
দিকে..তাহলে এই কি আমার পরী..?
– দেরি না করে ঘোমটা তুলতেই সেই চির
চেনা মুখটা দেখতে পেল পথ..এই ত আমার
– কি অবাক হলেন.?খুজে পেলেন আপনার
– তুমি কেন..?আমার ত মেঘের
সাথে বিয়ে হয়েছে..মেঘ কোথায়..?
– আমিই মেঘ..মেঘ জান্নাত পরী..এখন বলেন
পরীকে ভালবাসেন না মেঘকে.?কার
সাথে সংসার করবেন..?
– উত্তরে একটাই নাম
আসে পরী..আমি তোমাকে ভালবাসি পরী..অনেক

– আর কিছু দিন পর বললে হয়ত আমাদের

বাচ্চারাও শুনতে পারত..তা কেমন লাগল
সারপ্রাইজ..সবই ছিল প্লান করা..আমার
শাশুরি আম্মা আর আমি দুজনে মিলেই এই
প্লান করেছি…
– ওও…আর আমি কষ্টে মরে যাচ্ছিলাম তার
দিকে খেয়াল নাই..
– খেয়াল আছে বলেই ত রোজ খোজ নিতাম
– তা আপনি করেই বলবে না তুমি করে..
– আমার না লজ্জা লাগছে এখন..
– ওরে আমার লজ্জাবতিরে..
এভাবেই খুনসুটি আর গল্পে কেটে যাচ্ছিল
দুই ভালবাসার পাখির দিনগুলো…
…..ছোট সে ঘরে জায়গা দিলাম
……মনের দুয়ার খুলে,
……বাসবে কি ভাল এমন করে
……সারা জীবন ধরে
=একবার যখন ধরেছি হাত
=ছারব না কভু
=তুমিও আমায় তেমনই বেস
=যেমনটা বেসেছিল এই হৃদয়..